মালাকুল মাউত আসার আগেই কি আমরা জাগব না?
আমরা আজ এমন এক যুগের যাত্রী—
যেখানে মানুষ কোনোমতে মাত্র তিন ওয়াক্ত নামাজ পড়েই ভেবে নেয়, তার বুঝি আর কোনো গুনাহ নেই! সে যেন জান্নাতের নিশ্চয়তা পেয়ে গেছে।
অথচ এটি এক চরম অজ্ঞতার যুগ।
- এই জামানা জানে না—গায়রে মাহরাম কে, কার সামনে যাওয়া নিষেধ।
- এই জামানা বোঝে না—সহীহ পর্দার প্রকৃত অর্থ কী।
- এই জামানা জানতেই চায় না—'দাইয়্যুস' শব্দের পেছনে কতটা ভয়াবহ পরিণাম লুকিয়ে আছে।
এই যুগের যুবকেরা জানে না, টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পরা কতটা মারাত্মক গুনাহ। তারা সুন্নাহকে বানিয়ে ফেলেছে উপহাসের পাত্র। তাদের চোখে অল্প বয়সে দাড়ি রাখা নাকি মানায় না, আর রাসুলুল্লাহর (সা.) সুন্নাহ ‘বাবরি চুল’ রাখা সম্পর্কে তারা তো সম্পূর্ণ বেখবর!
এই জামানার তরুণ-তরুণীরা বোঝে না—‘ফ্রি-মিক্সিং’ বা অবাধ মেলামেশা কত বড় ফিতনা। নারী-পুরুষেরা বোঝে না—পারিবারিক আড্ডার হাসিমুখের আড়ালেও কীভাবে গীবতের মতো জঘন্য পাপ ঢুকে পড়ে।
সত্য বলতে, এই জামানা দ্বীনকে চেনে না, শরীয়াহর গভীরতা বোঝে না।
আফসোস! এই অজ্ঞ ও গাফিল জামানার জন্য! 🥀
মানুষ আজ দুনিয়ায় স্থায়ী হওয়ার মোহে শুধু জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু যখন মালাকুল মাউত এসে দরজায় কড়া নাড়বে, তখন আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর মতো কোনো নিখাদ ও পূর্ণ আমলনামা কি তাদের সঙ্গে থাকবে?
মৃত্যুর পর পরিবার-পরিজন হয়তো কিছুদিন চোখের পানি ফেলবে, দোয়ার আয়োজন করবে। কিন্তু তারা কি ভুলে গেছে—যে একবার দুনিয়ার মায়া ছেড়ে চলে যায়, ঈমান ও আমল ছাড়া তার আর কোনো কিছু সঙ্গে যায় না? সময় থাকতে নিজের আমলনামা সাজিয়ে না নিলে, পরকালে আফসোস ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
দেশ মাতৃ